খুলনার পাইকারি এবং খুচরা বাজারের দূরত্ব দুই থেকে তিন কিলোমিটার। অথচ হাত বদলে কেজি প্রতি বেড়ে যাচ্ছে ১৫ থেকে ২০ টাকা। ভরা মৌসুমে পাইকারি বাজারে কেজি প্রতি ১৮ থেকে ২০ টাকা দরের টমেটো খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা। এদিকে হঠাৎ করে চিনির দাম কেজি প্রতি ৫ টাক বৃদ্ধি পেয়েছে। অপরিবর্তিত রয়েছে, চাল, ডাল, তেল ও ছোলার দাম।
গতকাল শনিবার খুলনা সোনাডাঙ্গা পাইকারি কাঁচাবাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রতি কেজি টমেটো ১৮ থেকে ২০ টাকা, পেঁপে ২০ থেকে ২৫ টাকা, পেঁয়াজের কালি ১০ টাকা, বেগুন ৪০ থেকে ৪৫ টাকা, বাঁধাকপি ১০ থেকে ১২ টাকা, বিটকপি ২৫ টাকা, গাজর ২৫ থেকে ৩০ টাকা, শিম ১৫ থেকে ১৮ টাকা, ক্ষিরাই ৭০ থেকে ৮০ টাকা, ফুলকপি ২২ থেকে ২৫ টাকা, লাল শাক ১৫ টাকা, ডাঁটা শাক ২০ টাকা, লাউ প্রতিটি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, কাঁচা ঝাল ৮০ থেকে ১০০ টাকা, পুরাতন আলু ১৩ টাকা, নতুন আলু আকাড় ভেদে ১২ থেকে ১৭ টাকা, রসুন ৭০ থেকে ৮০ টাকা, পেঁয়াজ ৩২ টাকা।
পাইকারি আড়ত থেকে মাত্র দুই থেকে তিন কিলোমিটার দূরত্বে খুচরা বাজারের প্রতিকেজি টমেটো ৩০ থেকে ৪০ টাকা, পেঁপে ৩০ থেকে ৪০ টাকা, পেঁয়াজের কালি ২০ টাকা, বেগুন ৪০ থেকে ৫০ টাকা, বাঁধাকপি ২০ টাকা, বিটকপি ৪০ টাকা, গাজর ৪০ থেকে ৫০ টাকা, শিম ২০ থেকে ২৫ টাকা, ক্ষিরাই ৯০ থেকে ১০০ টাকা, ফুলকপি ৩০ থেকে ৪০ টাকা, লালশাক ৩০ টাকা, ডাঁটা শাক ৩০ টাকা, লাউ প্রতিটি ৬০ থেকে ৭০ টাকা, কাঁচাঝাল ১২০ থেকে ১৪০ টাকা পুরাতন আলু ২০ টাকা, নতুন আলু আকার ভেদে ২০ থেকে ২৫ টাকা, রসুন ৯০ থেকে ১০০ টাকা, পেঁয়াজ ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

নিরালা বাজারের সবজি ব্যবসায়ী সোহেল বলেন, সবজির দাম খুব একটা পরিবর্তন হয়নি।
মোটর শ্রমিক মেহেদী হাসান বলেন, পাইকারি বাজারের তুলনায় খুচরা বাজারের প্রতিটি পণ্যের দাম প্রায় ১৫ থেকে ২০-২৫ টাকা বেশি।
নিরালা বাজারে সবজি ব্যবসায়ী সোহাগ বলেন, সবজির দাম আগের মত একই রকম রয়েছে। টমেটোর সরবরাহ বেশি হওয়ার কারণে দাম কমেছে।
বাজারে আসা মেহেদী বলেন, বড় বাজার থেকে বাজার করি। খুচরা বাজারের চেয়ে এখানে দাম অনেক কম। চিনি খুচরা বাজারে ১০৫ টাকা করে দাম চেয়েছে। যা এখান থেকে কিনেছি ১০০ টাকায়, ছোলা এখানে কেজি প্রতি ৫ থেকে ৭ টাকা কম।

জোড়াকল বাজারের সবজি ক্রেতা জহির হোসেন বলেন, আলু পাঁচ কেজি ১০০ টাকায় ক্রয় করেছি, পেঁয়াজ নিয়েছিলো আড়াই কেজি ১০০ টাকা। দাম এখন যে অবস্থায় আছে সামনে রমজানের সময় একই রকম থাকলে ভালো হয়।
বড় বাজারের ব্যবসায়ী হাসেম স্টোরের আবুল হাসেম বলেন, ১৫দিন আগে চিনির দাম ছিল ৯৫ টাকা যা বর্তমানে ১শ টাকায় বিক্রি করছি।
মেসার্স সাউদার্ন ট্রেডার্স এর ম্যানেজার সিদ্দিক বলেন, অনেক দিন ধরে চিনির দাম কম ছিল। কিছুদিন আগে থেকে বস্তায় ১০০ থেকে ১৫০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।
খুলনা গেজেট/এনএম

